আমার স্বপ্নের ঠিকানায় আপনাকে 🌹সু-স্বাগতম🌹

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৭

কাল্পনিক অতচ বাস্তব

একজন ব্যাক্তি থানায় গিয়ে অভিযোগ করলেন, স্যার পাড়ার ক্লাবে যুবক ছেলেরা ডিজে বাজিয়ে কান গরম করে দিচ্ছে একটু ব্যাবস্থা নিন?

পুলিশ : পাড়ার যুবকরা একটু আনন্দ করছে তাতে আপনার ফাটছে কেন? যান বাড়ি গিয়ে ঘুমান?

স্যার, সারা রাত হরি কির্ত্তনে ঘুম তো আসেই না বরং বাচ্চাদের পড়ার ক্ষতি হচ্ছে?

পুলিশ, আরে মিঞা আপনি তো দেখছি সাম্প্রদায়িক লোক? মানুষের ধর্ম পালন ও করতে দেবেন না?

স্যার কালি পুজার নামে যেভাবে শব্দ দুষণ হচ্ছে, তাতে কানের ডাক্তার দেখাতে হবে।

পুলিশ, মানুষ তার ধর্ম মেনে বাজি ফাটাবে তাতে আপনার কি?
আবার একজন আসলেন অভিযোগ করতে,

স্যার, রোজ রোজ ভোরের বেলা আজান দিয়ে ঘুম ভাঙাচছে মুসলমানেরা?
পুলিশ, এটা অন্যায় আমরা মুসলমান নই তার পরও কেন আজান আমাদের কানে আসবে? তাছাড়া মানুষ সারাদিন পরিশ্রম করে ঘুমাবে আর ভোর বেলা মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে, না না এটা একদম ঠিক নই মুসলমানদের কোন আক্কেল নেই। ঠিক আছে যান যান আমি এ ব্যাপারে উপর মহলে নালিশ করছি।

এটাই কিন্তু মানুষের এখনকার ধ্যান ধারণা, যদি ও কথা গুলো কাল্পনিক তবে বাস্তবে এটাই হচ্ছে।

সংবিধান থেকে নেওয়া কিছু তথ্য

ভারতবর্ষের সংবিধানে কি লেখা আছে প্রত্যেককে জানা উচিত। সেই লেখার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। অবশ্য পড়ুন।
__________________________________________

Page No - 132

15 ই আগস্ট 1947

দেশ বিভক্ত হওয়ার পর যে সমস্ত মুসলিম ভারতে স্বইচ্ছায় থাকতে চান তারা সসম্মানে ভারতে থাকতে পারেন। কারণ এরা সেই সব মুসলিম যাদের পূর্বপূরুষরা স্বাধীনতার যুদ্ধে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন আর ভারতের জন্য বলিদান দিয়েছেন।

Page No - 156

RSS হচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু। আর এই সংগঠনটি স্বাধীনতার আন্দোলনে ভারতের জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে ছিল। এই সংগঠনের নেতা মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করেছিল। এই সংগঠনকে ব্যান করা হলো।

1956 সালে যখন RSS এর উপর থেকে ব্যান তোলা হলো তখন কিছু শর্ত রাখা হলো- RSS কোনোদিন রাজনিতীতে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। সংবিধানের অংশ কোনোদিন হতে পারবে না। দেশভক্ত পার্টি হিসাবে কোনোদিন বিবেচনা করা হবে না। শুধুমাত্র একটি সংগঠন হিসাবেই চলবে।

Page No - 197

1971 সাল
370 ধারা, কাশ্মীর ভারতের এক অংশ হওয়া এক স্বাধীন দেশ ছিল, যাকে পাকিস্থান নিজের দেশের অঙ্গ হিসাবে অর্ন্তভুক্ত করতে চেয়েছিল। কাশ্মীরকে ভারতের অর্ন্তভুক্ত করার জন্য একে 370 ধারা অনুযায়ী বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হলো।

370 ধারা কি?
আর কাশ্মীরে কেন এই ধারা লাগানো হলো?
কেন বা এই ধারা কাশ্মীর থেকে তুলে নেওয়া যাবে না?

370 ধারায় আছে কাশ্মীরের 6 বছরের কার্যকালে যেকোনো ব্যক্তি কাশ্মীরী মেয়েকে বিয়ে করে সেখানকার নাগরিকতা পেতে পারেন। কাশ্মীর ছাড়া অন্য কোনোও স্থানের কোনো ব্যক্তি সেখানে জমি ক্রয় করতে পারেন না। রক্ষা এবং সূচনা মন্ত্রালয় ব্যতীত আর সকল কেন্দ্রীয় অধিকার কাশ্মীরকে দেওয়া আছে।

স্বাক্ষর-
(1) মহম্মদ আলি জিন্না
(2) পন্ডিত জহরলাল নেহেরু
(3) ইন্দিরা গান্ধী
(4) জেনারেল গেরী রিচ্ল্ড

এই সব স্বতন্ত্র ভারতের সংবিধানে পরিস্কার করে লেখা আছে।

বিজেপি পার্টি মুসলিমদের গদ্দার আর RSS কে দেশভক্ত বলে আখ্যা দেয়।

ছদ্মবেশীরা মুসলিমদের ইতিহাসকে বিকৃত করে মুসলিমকে যখন গদ্দারীর সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে তখন তাদের ইতিহাসও একটু আমাদের জানা প্রয়োজন।
(সংগৃহিত)

আজান

আযান সম্পর্কে একটি ভৌগলিক গবেষণার বর্ণণা:

★ ফজরের আযান শুরু হয় ইন্দোনেশিয়া থেকে
★ এরপরে আসে সুমাত্রায়
★ সেখান থেকে - মালোয়শিয়া
★ এরপরে - বাংলাদেশ
★ শ্রীলঙ্কা
★ ভারত
★ পাকিস্তান
★ আফগানিস্তান
★ ওমান
★ সৌদি আরব
★ কুয়েত
★ সংযুক্ত আরব আমিরাত
★ ইয়ামিন
★ ইরাক
★ ইরান
★ তুর্কি
★ তারাবিলস
★ লিবিয়া
★ আমেরিকা এবং আরও ইত্যাদি বাকি দেশে
চলতে থাকে।
এভাবে আযান ৯ ঘন্টা একাধারে চলতে থাকে
এরপরে আবার ইনদোনেশিয়ায় ফিরে আসে, যখন
জোহরের ওয়াক্ত হয়। এই পদ্ধতিতেই ৫ ওয়াক্তে
সারা পৃথিবীতে আযান ঘুরতে থাকে।
দেখবেন আমাদের দেশের এক জেলার
সাথে অপর জেলার ৩-৪-৫ মিনিট করে ব্যাবধান
রয়েছে এভাবে সারা পৃথিবীতে এক দেশ থেকে
আরেক দেশ, এক জেলা থেকে আরেক জেলা
আযান চলছে। আলহামদুলিল্লাহ এই পর্যালোচনা থেকে প্রমাণিত হয় যে এই পৃথিবীর একটি সেকেন্ড
একটি মুহুর্তও আযান ব্যাতীত অতিক্রম হয় না।
অর্থাৎ প্রতি মুহুর্তেই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও আযানের ধ্বনী চলছেই। আল্লাহু আকবার।
(সংগৃহীত)

শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

নেলি হত্যাকাণ্ড


আজ ১৮ ই ফেব্রুয়ারি।একটি কালো দিন। ১৯৮৩ সনের এই দিনে আসামের নয়াগাওঁ জেলার নেলিতে দিনের বেলায় মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে সরকারি হিসাব মতে ২১৯১ জন নিরীহ মানুষকে নরখাদকরা হত্যা করেছিল। আজ পর্যন্ত হত্যাকারিরা আমাদের সমাজে মাথা উঁচু করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তিওয়ারী কমিশন ঘটন হয়েছিল রিপর্ট ও তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সনে হিতেশ্বর শইকিয়ার আমলে কিন্তু আজ অবধি কোন সরকার তা প্রাকাশ করেনি বরং Tiwari Commision Report ৬০০ পেইজের ছিল তা এখন ৩ পেইজ হয়ে বাকিটা উদাও হয়েছে।
দোষিরা আজ এই হত্যাযজ্ঞকে মুসলিম নিধন দিবস হিসাবে পালন করছে...ন্যায় বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এই দিনকে ভুলবনা।কাউকে ভুলতেও দেব না। এই হত্যাকারি সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।

মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০১৭

স্মৃতি

এখন আর কাউকে নিয়ে মিথ্যে  স্বপ্ন দেখি না,
খুঁজিনা কারো চোখে নিজেকে,
তবে মাঝে মাঝে হারিয়ে যাই
পুরনো স্মৃতির ডায়েরীর পাতায়,
যার প্রতিটি পাতায় ছিলো জীবনের সব রঙ্গিন স্বপ্নের গল্প,
আজ সেই গল্পেরা তুচ্ছ আর নিস্তব্ধ নিথর হয়ে পড়ে আছে...
মাঝে মাঝে সেই নিস্তব্ধ সপ্নগুলো,
আমার মনের গহীনে কষ্টের এক সীমা রেখা একেঁ দেয়...
এরই নাম কি ভালোবাসা ছিলো...
শুধু কিছু মিথ্যে আর বানোয়াট স্বপ্ন দেখানো ছাড়া তো আর কিছুই খুঁজে পাই না,
হয়তো এটাও ভালোবাসার কঠিন একটা রূপ...
আজ তুমি পাশে নেই ভাবতেই,
বুকের ভেতরটা চিন চিন ব্যথায় হাহাকার করে উঠে......
এখনো মনের অন্তরালে শুধু তোমার অনুভব,
তবে কি এরই নাম ভালোবাসা ?? ভালোবাসার মানুষটা অলোকবর্ষ দূরে থাকলেও,
তার জন্য এক নিঃস্বার্থ ভালোবাসা সবসময় সমস্ত হৃদয় জুড়ে থেকে যায়...... আর সেই হারানো মানুষটাই যেন দখল করে রাখে সমস্ত অস্তিত্ব,
পুরোটা অস্তিত্বের অনুভবে যেন শুধু তারই বিচরন!

শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

অনেকদিন পর ব্লগে...

       প্রথমেই সবাইকে জানাই নববর্ষের অগ্রিম শুভেচ্ছা আশা করি সবাই ভাল আছেন।বেশ কয়েক মাস হয়ে গেল ব্লগে আসি নি বা কোন ধরনের পোষ্ট করা হয় নি তাই দুঃখিত।ব্লগে আসতে না পারলেও ফেসবুকে  সক্রিয়ই ছিলাম।যাইহউক,আসলে সাংগঠনিক কাজ,নিজের পড়াশুনা ও পারিবারিক কিছু ব্যস্ততায় আমাকে এমন ভাবে ঘিরে ধরেছে যে এর থেকে কোনভাবেই বেরুতে পারছি না।তাঁর চেয়ে বড় একটি বিষয় হল গত রমজান মাস থেকে আমি মানসিকভাবে খুবই কঠিন একটি পরিস্তিতির মুকাবিলা করে যাচ্ছি যা অন্যসময় বিস্তারিত আলোচনা করব।সবার সাথে ইনশা আল্লাহ সেয়ার করব।এখন আপনাদের কাছে শুধু দোয়া চাই যেন অতি তাড়াতাড়ি অতীতকে ভুলে অর্থাৎ সব কিছু কাটিয়ে আবার একটি ভাল ও স্বাভাবিক জীবন পাই।যাইহউক বলতে ছিলাম ব্যস্ত জীবন নিয়ে।সত্যি মানুষ যখন সপ্নে বাস করে তখন কত কিছুই না করার সময় পায় বা করতেও পারে কিন্তু যখনই বাস্তবতায় পা দেয় তখন বুঝতে পারে সপ্নে বাস করা আর বাস্তবে বাস করা কতই না কঠিন একটি বিষয়।আমি ও একসময় সপ্নের/কল্পনার জগতে বাস করছিলাম এখন হঠাৎ বাস্তব জীবনে পা রাখছি তাই বুঝতে পারছি সত্যি আকাশটা আমার থেকে অনেক অনেক দূরে।যাইহউক নিজের বর্তমান অবস্তা নিয়ে কয়েক লাইন বললাম এবার মূল কথায় আসি…

     বন্ধুগন,এখন থেকে ব্লগে কিছু লেখালেখির চেষ্টা আরম্ভ করব যদি আপনাদের দোয়া পাই ।লেখাগুলির বিষয় বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।যেমন- ইসলাম ধর্ম,নাস্তিক-আস্তিক,সমাজ,রাষ্ট্র,ভারতবর্ষ,সংগটন(ধর্মীয় ও সামাজিক),রাজনীতি ইত্যাদি।যা কিছুই লেখি বা লেখার চেষ্টা করি না কেন সব কিছুই হবে দুটি বিষয়কে সামনে রেখে।এর মধ্যে একটি হল ইসলাম ধর্মীয় আইন অপরটি হল ভারতীয় আইন।এই দুটি বিষয়কে সম্মান ও মর্যাদা দিয়েই আমি লেখার চেষ্টা চালিয়ে যাব।ইনশা আল্লাহ।এখন এশা’র নামাজ পড়ব তাই উঠছি।সবাই ভাল থাকুন সুস্ত থাকুন।এই কামনা রইল।

শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৬

বদলে গেল!

     যখন তুমি নিজে নিজের কাছেই বদলে যাবে তখন এই পৃথিবিও তোমার কাছে বদলে যাওয়া এক পৃথিবি হয়ে যাবে।মনে হবে, পৃথিবি তো এমন ছিল না! মানুষগুলুও তো এমন ছিল না! কি হল এই পৃথিবির?কি হল এই মানুষগুলুর? আগে তো কখনও এমন মানুষ দেখি নি! আগে তো এমন আকাশ দেখিনি যে আকাশ কখনও অন্ধকার কখনও ফর্শা!

      আসলে, এই পৃথিবি তার টিক আপন গতিতে ও আপন নিয়মে চলছে।এই আকাশ বাতাস আলো সব কিছুই নিজ নিজ নিয়মে চলছে।আর এই পৃথিবির মানুষগুলুও আগের মতই আছে।শুধু বুঝতে হবে,আপনি বদলে গেছেন। আপনার পৃথিবি বদলেগেছে।যাদেরকে নিয়ে আপনার পৃথিবি তাঁরা বদলে গেছে নিজেদের সুখের সন্ধানে আজ তাঁরা আপন আপন পথে চলে গেছে আর আপনি সেই আগের যায়গায় একাই দাঁড়িয়ে আছেন।তাই আজ মনে হচ্ছে সমস্ত কিছু বদলে গেছে কিন্তু না.....

বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সপ্ন

সপ্নকে লালন করা খুবই সহজ কিন্তু বাস্তবটা হয় খুবই কঠিন।বাস্তবের মোকাবিলা করা খুবই কঠিন এক কাজ।এর মোকাবিলা সঠিক ভাবে সবে করতেও পারে না।তখন তার জীবনে অনেক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয়।কাহারও ক্ষেত্রে সপ্নও বার বার ভেঙ্গে যায়।আবার নতুন করে সপ্নও দেখে কিন্তু পরিশেষে সেই কঠিন বাস্তবের মুখামুখি কিন্তু হতেই হয়।সেই বাস্তব হতে পারে সুখের কিংবা দঃখের।সুখের হলে তো কথা নেই কিন্তু দঃখের হলে,কষ্টের শেষ নেই।কথা গুলু সবাই যে বুঝবেন তা নয়।বুঝবেন সেই জন যে কষ্টকে নিজের করে,শুধুমাত্র বেঁচে থাকার তাগিদে আজও শ্বাস নিচ্ছে।টিক আমার মত।হ্যা,টিক আমার মত।

সপ্ন

সপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়াটা খুবই কঠিন এক কাজ।এক লড়াই।আর এই লড়াইয়ে যদি হেরে যাও তাহলে তো...... আমি ও হয়ত হেরে গেছি!আজ বাঁচার তাগিদে শ্বাস নিচ্ছি।এতটুকুই।নেই আর কোন খাছ সপ্ন।সব কিছু আজকাল মনে হয় প্রয়োজনের তাগিদে করছি।না হলে করতাম না।কিন্তু একসময় যা করেছি,সব ছিল সপ্নকে বাস্তবে আনার জন্য।ছিল এক সপ্ন যা পূরণ করতেই কত্ত কি.... এবার গাড়িটা থেমে গেছে,যে গাড়িতে নেই কোন পেছেঞ্জার(সপ্ন)।